কুমিল্লার ১৪টি উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য ৩৫ জন জনবল নির্ধারিত থাকলেও বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন ২৭ জন। ফলে জনবল সংকটে জেলার সব উপজেলায় নিয়মিত অভিযান চালানো সম্ভব হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. বজলুর রহমান।
সোমবার (৫ অক্টোবর) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) প্রশাসনের আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বজলুর রহমান বলেন, সীমিত জনবল দিয়ে একসঙ্গে জেলার সব এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা কঠিন। এর সঙ্গে কুমিল্লার ১০৫ কিলোমিটার সীমান্ত দিয়ে গাঁজা, ফেনসিডিল, হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদক প্রবেশ করছে।
কুবি ও আশপাশের এলাকায় মাদক ও অন্যান্য অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি বা থানা স্থাপনের প্রস্তাব দেন তিনি। পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ টিম গঠনের পরামর্শ দেন। সন্ধ্যার পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নিয়মিত টহলের প্রস্তাবও দেন তিনি।
তিনি বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ করে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়; মাদকের চাহিদা কমাতে সামাজিকভাবে সবাইকে সম্পৃক্ত করতে হবে।
বজলুর রহমানের তথ্য অনুযায়ী, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে একক জেলা হিসেবে কুমিল্লায় বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। বর্তমানে জেলায় এমন ১৩টি কেন্দ্র রয়েছে।
সভায় বক্তারা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।
কুবি প্রতিনিধি
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।