শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ

ড্রাগন ফল কারা খাবেন, কারা এড়িয়ে চলবেন

ড্রাগন ফল কারা খাবেন, কারা এড়িয়ে চলবেন
ড্রাগন ফল কারা খাবেন, কারা এড়িয়ে চলবেন
সর্বশেষ উপলব্ধ: আগস্ট ১৭, ২০২৬ ০৪:০০ অপরাহ্ন

ড্রাগন ফল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ হলেও সবার জন্য সমান উপযোগী নয়। বিশেষ করে হজমের সমস্যা, কিডনিতে পাথরের প্রবণতা এবং বিশেষ কিছু শারীরিক অবস্থায় এ ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

পুষ্টিবিদদের মতে , ড্রাগন ফলে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফাইবার ও আয়রন রয়েছে। এসব পুষ্টি উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হজমে সহায়তা করতে এবং রক্তাল্পতা মোকাবিলায় ভূমিকা রাখতে পারে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ ও শরীর থেকে ক্ষতিকর উপাদান বের করতেও ফলটি সহায়ক।

তবে যাদের হজমে সমস্যা রয়েছে, তাদের খালি পেটে ড্রাগন ফল না খাওয়াই ভালো। এতে পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া বা অস্বস্তি হতে পারে। কিডনিতে পাথরের প্রবণতা থাকলেও সতর্ক থাকতে হবে। কারণ ফলে থাকা অক্সালেট কিছু ক্ষেত্রে কিডনিতে পাথর তৈরির ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

অন্তঃসত্ত্বা ও স্তন্যদানকারী নারীদের নিয়মিত ড্রাগন ফল খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন পুষ্টিবিদ। অতিরিক্ত খেলে পেটব্যথা, বমি বমি ভাব বা অ্যালার্জির মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দিনে ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম এবং শিশুদের জন্য ৫০ থেকে ৭৫ গ্রাম ড্রাগন ফল যথেষ্ট বলে জানিয়েছেন তিনি। হজমের সমস্যা থাকলে দই বা অন্য ফলের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন পুষ্টিবিদ।

মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।