স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ফুটবল ম্যাচে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষের পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন সিডি তেনেরিফের স্ট্রাইকার হেসুস দে মিগেল। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩০ বছর।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ক্লাবটি। এর আগের দিন সোমবার (২ নভেম্বর) এফসি আন্দোরার বিপক্ষে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোলরক্ষক হেসুস ওওনোর সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন দে মিগেল। পরে মাঠেই তার হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়।
ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের সপ্তম মিনিটে বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে গিয়ে দুজনের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় গোলরক্ষক ওওনোকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। দে মিগেলকে হাসপাতালে নেয়ায় ২-২ গোলে সমতায় থাকা ম্যাচটি স্থগিত করা হয়।
সোমবার রাতে তেনেরিফ জানিয়েছিল, দে মিগেলের শারীরিক অবস্থা গুরুতর হলেও স্থিতিশীল। তবে মঙ্গলবার সকালে তার স্নায়বিক অবস্থার অবনতি হয়। পরে সকাল ৮টায় তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে ক্লাবটি।
দে মিগেলের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বার্সেলোনা, এফসি আন্দোরা, লা লিগার সভাপতি হাভিয়ের তেবাসসহ স্পেনের বিভিন্ন ফুটবল ক্লাব ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
২০২৫ সালের গ্রীষ্মে তেনেরিফে যোগ দিয়েছিলেন দে মিগেল। গত মৌসুমে ক্লাবটিকে স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগে উন্নীত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এই স্ট্রাইকার। মাত্র ৩০ বছর বয়সে তার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে স্পেনের ফুটবল অঙ্গনে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।