ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকা থেকে শীর্ষ মাদক কারবারি রাজা ওরফে পিচ্চি রাজার পালানোর ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্যের সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ইসরাইল হাওলাদার। এ ঘটনায় আর্থিক লেনদেনের প্রমাণও মিলেছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সিভিল পোশাকে থাকা এসআই প্রবীর কুমার পিচ্চি রাজাকে প্রিজন ভ্যান থেকে নামিয়ে পাশের একটি প্রাইভেটকারে তুলে দেন। রাজার বোন তাসলিমার সঙ্গে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলেও জানায় পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রিজন ভ্যানের চালকের বাসা থেকে ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পলাতক পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
এর আগে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশের পাঁচ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পাশাপাশি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গেলো ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার আদালতে হাজিরা শেষে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে ফেরার পথে কোনাবাড়ী-তাঁতীবাজার এলাকায় প্রিজন ভ্যান থেকে পালিয়ে যায় পিচ্চি রাজা। তখন পুলিশ জানিয়েছিল, নাওজোড় হাইওয়ে থানার কাছে টয়লেটে যাওয়ার কথা বলায় তাকে ভ্যান থেকে নামানো হয়েছিল।
এর আগে গেলো ১৯ মে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।