রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বি টু বা ক্রিটিক্যালিটিতে যাওয়ার অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ। আগের ধাপের সব পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হওয়ায় এখন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়রা) অনুমতির অপেক্ষা করছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।
বি টু ধাপে পারমাণবিক চুল্লিকে প্রাথমিক অপারেশনের জন্য প্রস্তুত করা হবে। এরপর ক্রিটিক্যালিটি পর্যায়ে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন শুরু হবে। ধাপে ধাপে শক্তি বাড়িয়ে ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর পর জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।
রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত প্রকল্পটির প্রথম ইউনিটের স্টেজ বি ওয়ান মোটামুটি সফলভাবে শেষ হয়েছে। সর্বশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভের পরীক্ষার জটিলতাও কাটিয়ে উঠেছে কর্তৃপক্ষ।
রূপপুর প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, ‘আমরা সবকিছু বায়রাকে সাবমিট করেছি। পারমিশন পেলেই আমরা পরবর্তী স্টেজে যাব, যেটাকে বি টু বলে।’
এদিকে রূপপুর থেকে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নির্মাণ করা আটটি সঞ্চালন লাইনের কাজও শেষ হয়েছে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।