১৫ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে তুরস্ক। আগামী ১ নভেম্বর থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। শিশু-কিশোরদের অনলাইন আসক্তি ও ডিজিটাল ঝুঁকি কমাতে এ পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি।
শনিবার (১০ অক্টোবর) তুরস্কের সরকারি গেজেটে এ সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়। এর আগে গত এপ্রিলে দেশটির পার্লামেন্টে এ-সংক্রান্ত আইন পাস হয়।
পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন জানায়, নতুন আইন অনুযায়ী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহারকারীর বয়স যাচাইসহ শিশুদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। শিশুদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করতে পারে—এমন সেবাও তাদের জন্য বন্ধ রাখতে হবে।
শিশু-কিশোরদের অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহার, ঘুমের সমস্যা, অনলাইন হয়রানি ও খাদ্যাভ্যাসজনিত জটিলতা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এসব ঝুঁকি কমাতে অস্ট্রেলিয়া ইতিমধ্যে বয়সভিত্তিক বিধিনিষেধ চালু করেছে। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশও একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করছে।
তবে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা ও বাস্তবায়ন নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তুরস্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো। তাদের অভিযোগ, দেশটিতে এলজিবিটিকিউ জনগোষ্ঠী, সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে বহু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট বন্ধের ঘটনাও ঘটেছে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।