ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তরুণদের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি বাজার ও ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার পাশাপাশি নির্দিষ্ট এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা স্থগিত করা হয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টায় দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দেয় অনলাইন ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’। ভোটার তালিকা সংশোধনের নামে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ দেয়ার অভিযোগ তুলে জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা। তাদের অভিযোগ, এ প্রক্রিয়ায় ক্ষমতাসীন বিজেপি সুবিধা পেয়েছে।
তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিজেপির দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির কারণেই নির্বাচনে দলটির সাফল্য আসছে।
দিল্লি পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি। নির্ধারিত নিয়ম না মানলে আইনি ব্যবস্থা নেয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে তারা। শুক্রবার রাত থেকে শনিবার রাত পর্যন্ত নির্দিষ্ট চার কিলোমিটার এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিক্ষোভ ঘিরে শুক্রবার কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেনও বাতিল করা হয়।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।