ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের শক্ত ঘাঁটি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়ায় জরুরি অবস্থা জারি এবং প্রাদেশিক সরকার স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইমরানের মুক্তির দাবিতে সমর্থকদের ধারাবাহিক বিক্ষোভের মধ্যে নেয়া এ পদক্ষেপে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকেরা।
কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবিলা ও প্রদেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত। তবে এ অভিযোগের পক্ষে বিস্তারিত প্রমাণ প্রকাশ করেননি তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার। অন্যদিকে, বিরোধীদের অভিযোগ, ইমরান খান ও তাঁর দলকে চাপে রাখতেই সরকার কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
বিক্ষোভ দমনে ধরপাকড়ের পাশাপাশি কিছু এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ ও সড়কে অবরোধের খবর পাওয়া গেছে। পিটিআইয়ের কয়েকজন নেতা আত্মগোপনে রয়েছেন। প্রাদেশিক মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদিকে নিরাপত্তামূলক হেফাজতে রাখার কথা জানিয়েছে সরকার, যদিও দলটির দাবি, তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইমরান খানের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ও তাঁর মুক্তির দাবিতে সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রাদেশিক সরকার স্থগিত করায় কেন্দ্রীয় সরকারকে সরাসরি পরিস্থিতি সামলানোর দায়িত্ব নিতে হবে। এতে সংকট আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পাকিস্তানে জঙ্গি তৎপরতা বৃদ্ধি, আফগানিস্তানের সঙ্গে উত্তেজনা এবং ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বিরোধের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের সতর্কতা, বিরোধীদের দমনে কঠোর পদক্ষেপ পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে জনঅসন্তোষ ও অস্থিতিশীলতা বাড়িয়ে দিতে পারে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।