ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের শিখা-ইন হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে সাত বাংলাদেশিসহ নয়জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধোঁয়ায় শ্বাসরোধ হয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে পোড়ার ক্ষতও পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় হোটেলটির মালিক বীরেশ্বর মিত্রকে চার দিন ধরে খুঁজে পাচ্ছে না পুলিশ। তার সন্ধানে কলকাতার পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা ও মন্দারমণিতে অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশের ধারণা, এসব এলাকার তার অন্য হোটেলে আত্মগোপন করে থাকতে পারেন তিনি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। শিখা-ইন হোটেলটি ভবনের তৃতীয় তলায় ছিল এবং ১১ মাসের চুক্তিতে আবু জাফর নামে এক ব্যবসায়ীকে ইজারা দিয়েছিলেন বীরেশ্বর।
একই ভবনের পঞ্চম তলায় তার আরেকটি আবাসিক হোটেল রয়েছে। সেটি উমেশ সিং ও জিতেন সিং নামে দুই ব্যবসায়ীর কাছে ইজারা দেওয়া হয়েছিল। তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ার এক সাংবাদিক ও তার পরিবারের তিন সদস্য রয়েছেন।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।