সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৪-এ হামলায় একজন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরও ১১ জন। রোববার (১১ অক্টোবর) এ হামলার পর বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলায় টার্মিনালের একটি অংশে আগুন ধরে যায়। একই সময়ে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বিমানবন্দরের কাছে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, পূর্বাঞ্চলে একটি ড্রোন এবং খামিস মুশাইত শহর লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।
এর আগের দিন রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় ১৩ জন নিহত ও তিন শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলার পর বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়। এ ছাড়া পূর্বাঞ্চলীয় দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। সেখানে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ ও নিরাপত্তা পরিদর্শন চলছে।
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি আগের হামলার দায় স্বীকার করে দাবি করেছেন, দাম্মাম বিমানবন্দর এবং সৌদি আরামকোর দুটি স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে সৌদি সরকার ও আরামকোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার জেরে বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। ব্রিটিশ দূতাবাস নাগরিকদের জেদ্দা, দাম্মাম ও মদিনা ছাড়া অন্য বিমানবন্দরে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যাতায়াত না করার পরামর্শ দিয়েছে। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে রিয়াদের স্কুলগুলোতেও রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অনলাইন ক্লাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
হুতিদের দাবি, ইয়েমেনে সৌদি আরবের বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। গোষ্ঠীটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে, সৌদি আরব সামরিক অভিযান ও হস্তক্ষেপ বন্ধ না করলে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ নেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।