নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় ১০৫ ভারতীয়সহ মোট ৩৮৪ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। বুধবার (২৬ আগস্ট) চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বত থেকে পাহাড়ি ঢল নেমে সীমান্তবর্তী এলাকায় ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি হয়।
নেপালের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ভোতিকোশি নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে রাসুয়া জেলার তিমুর ও পার্শ্ববর্তী সায়াফুরবাসি এলাকায় ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পানির তোড়ে শত শত ঘরবাড়ি, গাড়ি, পণ্য ও বিভিন্ন স্থাপনা ভেসে গেছে।
বন্যার পর পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ৩২ সদস্যও নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ১৪টি হেলিকপ্টারসহ বিপুলসংখ্যক উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করেছে।
নেপালের বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানিয়েছে, তিব্বতে ভূমিধসের কারণে ভোতিকোশি নদীর পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। পরে সৃষ্ট চাপের সঙ্গে পাহাড়ি ঢল যুক্ত হয়ে এই আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ দুর্গত এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।