অনলাইনে হেরোইন, এলএসডি ও অন্যান্য মাদক তৈরিতে ব্যবহৃত নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক বিক্রির অভিযোগে রাজধানীতে অভিযান চালিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। অভিযানে ই-কেমের কার্যালয় থেকে অ্যাসিটিক অ্যানহাইড্রাইড, অ্যাসিটোন, সালফিউরিক অ্যাসিড ও পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেটসহ প্রায় সাড়ে ৬ লিটার রাসায়নিক জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার মো. আব্দুল মোমিন পাটোয়ারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিএনসি জানায়, সাইবার পেট্রোলিংয়ের মাধ্যমে ই-কেমের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নিয়ন্ত্রিত রাসায়নিক বিক্রির তথ্য পায় তারা। পরে গোয়েন্দারা ক্রেতা সেজে ৫০০ মিলিলিটার অ্যাসিটিক অ্যানহাইড্রাইডের অর্ডার দেন। গত ২৪ আগস্ট নিকেতন এলাকায় পণ্য সরবরাহের সময় ই-কেমের এক ডেলিভারিম্যানকে আটক করা হয়। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে কুড়িলের কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে রাসায়নিক ও বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
এদিকে, দারাজে ‘সিবিডি তেল’ নামে টিএইচসি বিক্রির অভিযোগেও অভিযান চালিয়েছে ডিএনসি। ক্রেতা সেজে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষায় টিএইচসির উপস্থিতি পাওয়ার পর মোহাম্মদ আনিসুর রহমান নামে এক কেমিস্টকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে ৬২০ মিলিলিটার টিএইচসি উদ্ধার করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৬০ লাখ টাকা।

ডিএনসি সূত্রের দাবি, দারাজ ব্যবহার করে গত পাঁচ বছরে প্রায় ৪০৫ বোতল টিএইচসি বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আনিসুর রহমানের পাশাপাশি দারাজের ব্যবস্থাপনা পরিচালককেও আসামি করে মামলা করা হয়েছে।
ডিএনসি জানিয়েছে, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মাদক বা মাদক তৈরির উপকরণ বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে সাইবার পেট্রোলিং ও গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।