নেপালের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী জেলা রাসুয়ায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে তিব্বত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে রাসুয়া জেলার ভোতিকোশি নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যায়। এতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়।
বন্যায় সিয়াফ্রুবেসি, বেত্রবতী, মাইলুং, সাল্লেতার, শান্তিবাজারসহ বিভিন্ন এলাকার শত শত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেসে গেছে রাস্তাঘাট এবং উপড়ে গেছে বিদ্যুতের খুঁটি।
নিখোঁজদের মধ্যে সীমান্তরক্ষী পুলিশ বাহিনীর আট সদস্যও রয়েছেন। তিমুর এলাকায় সকাল ৯টার দিকে বন্যা আঘাত হানে বলে জানিয়েছেন সীমান্ত পুলিশের মুখপাত্র অভি নারায়ণ কাফলে।
নিখোঁজদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে যৌথ উদ্ধারকারী দল গঠন করা হয়েছে। অভিযানে আটটি হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে।
কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, বুধবার বিকেল পর্যন্ত ১৮ জনকে জীবিত এবং সাতজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। বন্যার কারণ হিসেবে তিব্বতে ভূমিধসের ফলে নদীর পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং পাহাড়ি ঢলকে দায়ী করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন্দ্র শাহ উপদ্রুত এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।