চীনের সঙ্গে ইরানের অর্থনৈতিক সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয় বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বেইজিং। ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক রাখা দেশগুলোর ওপর যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞার হুমকি দেয়ার পর মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) এ সতর্কবার্তা দেয় চীন।
নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, অবৈধ একতরফা নিষেধাজ্ঞার দৃঢ় বিরোধিতা করে চীন। নিজেদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেয়া হবে। চীন ও ইরানের সহযোগিতায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ বা বিঘ্ন সৃষ্টি করা উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করতে দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, নতুন নিষেধাজ্ঞায় ইরানের ডিজিটাল সম্পদ, প্রযুক্তি, স্বর্ণ, বিমান চলাচল ও নৌপরিবহন খাতকে লক্ষ্য করা হবে।
ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। দেশটির তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই চীনে যায়। ফলে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুমকিতে চীন-ইরান বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।