বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। হিজরি ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে দিনটি পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।
মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন মহান আল্লাহর প্রেরিত সর্বশেষ নবী ও রাসুল। তাওহিদের বাণী নিয়ে পৃথিবীতে আগমন করে তিনি মানুষকে ইসলামের পথে আহ্বান জানান। পাশাপাশি শান্তি, মানবতা, ন্যায় ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষা ছড়িয়ে দেন।
ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে পবিত্র মক্কা নগরীর কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন মহানবী (সা.)। তাঁর বাবা আবদুল্লাহ এবং মা আমিনা। জন্মের আগেই বাবাকে হারান তিনি। ছয় বছর বয়সে মাতৃহারা হন মহানবী (সা.)।
তাঁর আগমনের আগে আরব সমাজে অজ্ঞতা, কুসংস্কার ও নানা অনাচার প্রচলিত ছিল। মহানবী (সা.) সেই সমাজে ন্যায় ও শান্তির বার্তা প্রতিষ্ঠা করেন।
ইসলামি স্কলারদের মতে, মহানবী (সা.)-কে স্মরণ করার জন্য শুধু একটি দিন নয়। তাঁর দেখানো পথ, আদর্শ ও শিক্ষা প্রতিদিনের জীবনে অনুসরণ করাই মূল বিষয়।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।