জয়পুরহাটে হিমাগারে সংরক্ষিত আলুর দামে বড় ধরনের ধস নেমেছে। উৎপাদন ও সংরক্ষণ ব্যয়ের চেয়ে কম দামে বিক্রি হওয়ায় প্রতি বস্তায় ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। ফলে লোকসানের ভয়ে জেলার ২২টি হিমাগার থেকে অনেক কৃষক আলু তুলছেন না।
কৃষক ও ব্যবসায়ীরা জানান, ৬০ কেজির এক বস্তা আলু উৎপাদনে খরচ হয়েছে প্রায় ৯৫০ থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা। এর সঙ্গে বস্তা, পরিবহন, কুলি ও হিমাগার ভাড়া বাবদ আরও ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা খরচ হয়েছে। সব মিলিয়ে বস্তাপ্রতি বিনিয়োগ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ১৫০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা। অথচ বর্তমানে হিমাগার পর্যায়ে আলু বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৮৭০ টাকায়।
দাম বাড়ার আশায় ঋণ করে হিমাগারে আলু রাখা কৃষকরা এখন চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাদের দাবি, দ্রুত সরকারিভাবে আলু কেনা, হিমাগার ভাড়ায় ভর্তুকি এবং রপ্তানির সুযোগ বাড়ানো না হলে কৃষকরা আরও বড় লোকসানের মুখে পড়বেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি, বাজারে সরবরাহের চাপ এবং রপ্তানির সীমিত সুযোগের কারণে এবার আলুর দরপতন হয়েছে। দীর্ঘদিন হিমাগারে আলু পড়ে থাকায় নতুন মৌসুমের আগেই পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
জয়পুরহাট প্রতিনিধি
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।