আন্দোলনকারীদের মারধরের জন্য ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাদ্দাম হোসেনকে উসকানি দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের—এমন দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, সাদ্দামের সঙ্গে কথোপকথনের সময় কাদের বলেছিলেন, ‘তোমরা মারো না কেন? মারো।’
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সাত আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটরের দাবি, ওবায়দুল কাদেরের উসকানিমূলক বক্তব্য ও বিভিন্ন সিদ্ধান্তের পর ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মিলে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালান। ১৬ জুলাই ওয়াসিম, আবু সাঈদসহ কয়েকজন নিহত হওয়ার পর ১৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত নির্বিচারে গুলিতে প্রায় এক হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং প্রায় ২৫ হাজার আহত হন বলেও দাবি করেন তিনি।
আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, আন্দোলন দমনে ছাত্রলীগই যথেষ্ট। ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ১৪ দলীয় বৈঠকে আসামিরা উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে কারফিউ জারি ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
তার ভাষ্য, ওবায়দুল কাদের ‘শুট অ্যাট সাইট’ নির্দেশনার কথাও বলেছিলেন। এসব ঘটনায় আসামিদের সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটি, সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি ও ব্যক্তিগত দায় ছিল।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।