সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি নিয়ে অপেক্ষা বাড়ছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, খসড়া প্রজ্ঞাপনের বিভিন্ন দিক যাচাই-বাছাই শেষে ভেটিংয়ের জন্য তা আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। ভেটিং শেষ হলে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভায় নতুন পে স্কেল অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ২০টি গ্রেড বহাল রেখে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন কাঠামো ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা।
অর্থ বিভাগ এরই মধ্যে খসড়া প্রজ্ঞাপন তৈরির কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। বিভিন্ন শ্রেণি ও প্রতিষ্ঠানের সরকারি কর্মচারীদের জন্য পাঁচটি আলাদা বিশেষ আদেশ বা এসআরও জারি হতে পারে। প্রতিরক্ষা বাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, সরকারি আর্থিক ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের জন্যও আলাদা নির্দেশনা থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হচ্ছে। দ্রুতই অনুমোদিত সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে সর্বশেষ জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা করা হয় ২০১৫ সালে। সে সময় মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের প্রায় সাড়ে তিন মাস পর প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছিল। এবারও প্রজ্ঞাপন জারির আগে খসড়ার শব্দ, আইনি পরিভাষা ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান যাচাই করা হচ্ছে।
এদিকে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের জন্য ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’ চালুর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে। ২০১৯ সালের আগে অবসর নেয়া বেসামরিক কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকায় এটি পর্যায়ক্রমে ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের কথা রয়েছে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।