প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিপক্ষের হুমকি মোকাবিলা ও মহাকাশে সামরিক সক্ষমতা রক্ষায় এসব অস্ত্র কক্ষপথে মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন স্পেস ফোর্স।
তবে কী ধরনের অস্ত্র এবং কতগুলো ব্যবস্থা কক্ষপথে মোতায়েন রয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায়নি ওয়াশিংটন। স্পেস ফোর্সের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব সক্ষমতা আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক—দুই ধরনের কাজেই ব্যবহার করা যেতে পারে।
কক্ষপথে অস্ত্র মোতায়েনের প্রয়োজনীয়তার পেছনে চীন ও রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতাকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন মূল্যায়ন অনুযায়ী, দুই দেশই মহাকাশকে ভবিষ্যৎ সংঘাতের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করছে।
মহাকাশে সামরিক সক্ষমতা তৈরির প্রতিযোগিতা অবশ্য নতুন নয়। ১৯৫৭ সালে স্পুটনিক উৎক্ষেপণের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন মহাকাশে সামরিক প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু করে। ১৯৬৭ সালের আউটার স্পেস ট্রিটি কক্ষপথে পারমাণবিক ও গণবিধ্বংসী অস্ত্র মোতায়েন নিষিদ্ধ করলেও অন্যান্য সামরিক ব্যবস্থা নিয়ে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা নেই।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।