ভারতশাসিত কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয়বস্তু নির্ধারণে অভিন্ন নির্দেশনা চালুর প্রস্তাব ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এ উদ্যোগকে মুসলমানদের ধর্মীয় বিষয়ে হস্তক্ষেপ আখ্যা দিয়ে এর বিরোধিতা করেছেন রাজনৈতিক নেতা ও ধর্মীয় সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
জম্মু-কাশ্মীর ওয়াক্ফ বোর্ডের এ প্রস্তাবের সমালোচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি। ওমর আবদুল্লাহ প্রস্তাবটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ উল্লেখ করে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপির নিয়োগ দেয়া ওয়াক্ফ বোর্ডের চেয়ারম্যান রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ উদ্যোগ নিয়েছেন।
মিরওয়াইজ উমর ফারুকের নেতৃত্বাধীন ধর্মীয় সংগঠনগুলোর জোট মুত্তাহিদা মজলিস-ই-উলামাও প্রস্তাবটির নিন্দা জানিয়েছে। সংগঠনটির বক্তব্য, জুমার খুতবার বিষয়বস্তু নির্ধারণের দায়িত্ব ইসলামি পণ্ডিতদের, প্রশাসনের নয়।
পিডিপি সভাপতি মেহবুবা মুফতি প্রশ্ন তুলেছেন, ইমামরা কী বিষয়ে বক্তব্য দেবেন, তা নির্ধারণের অধিকার কার? তিনি জম্মু-কাশ্মীর সরকারের হাতে ওয়াক্ফ বোর্ডের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সংসদ সদস্য আগা সৈয়দ রুহুল্লাহ মেহদির মতে, সমন্বয়ের নামে এ উদ্যোগ ধর্মবিশ্বাসের ওপর আঘাত।
২০১৯ সালে জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর থেকে অঞ্চলটির প্রশাসনিক ও নিরাপত্তাব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন এসেছে। চলতি বছরের শুরুতে কাশ্মীরের মসজিদ ও ইমামদের তথ্য সংগ্রহে পুলিশের অভিযান নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।