উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে চলতি বছরের শেষ দিকে আবারও বৈঠক করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার জবাবে পূর্ব উপকূলের সাগরে প্রায় ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে পিয়ংইয়ং।
বুধবার ট্রাম্প জানান, বছরের শেষ দিকে চীনের শেনজেনে অনুষ্ঠেয় এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় কিমের সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ তৈরি হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রও কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।
তবে উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে আলোচনায় ফেরার বিষয়ে এখনো কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া কমানোর সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, মহড়া অব্যাহত রাখার অর্থ হলো ওয়াশিংটনের নীতি এখনও পিয়ংইয়ংয়ের প্রতি বৈরী।
এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, উত্তর কোরিয়া পূর্ব উপকূলের সাগরে প্রায় ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, চলমান সামরিক মহড়ার প্রতিবাদেই এ উৎক্ষেপণ হয়ে থাকতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে আলোচনায় বসার আগে উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে বড় পরিবর্তন চাইতে পারে। বিশেষ করে বৈরী নীতি প্রত্যাহার এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে ওয়াশিংটনের অবস্থান পরিবর্তনের দাবি উঠতে পারে।
২০১৮ ও ২০১৯ সালে ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে একাধিক বৈঠক হলেও উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগের বিষয়ে মতবিরোধের কারণে আলোচনা থেমে যায়। এবারও দুই দেশের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু হবে কি না, তা নির্ভর করছে উভয় পক্ষের অবস্থান কতটা নমনীয় হয় তার ওপর।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।