বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ

জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ত্যাগ করলেন আখতার হোসেন

জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ত্যাগ করলেন আখতার হোসেন
জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান ত্যাগ করলেন আখতার হোসেন
সর্বশেষ উপলব্ধ: আগস্ট ০৫, ২০২৬ ০৪:৪০ অপরাহ্ন

দেশের বিভিন্ন স্থানে জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা ও হয়রানির অভিযোগ তুলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকে বেরিয়ে গেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদদের স্মরণে আয়োজিত আলোচনা সভা ও জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেয়ার পর তিনি অনুষ্ঠান ত্যাগ করেন।

আখতার হোসেন বলেন, অনুষ্ঠান চলাকালেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক মাহিন সরকারকে হলরুম ছেড়ে যেতে হয়েছে। তার দাবি, রিফাত রশিদ, আব্দুল কাদের ও আব্দুল হান্নান মাসুদসহ আন্দোলনের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সংগঠক বিভিন্নভাবে হয়রানি ও হামলার শিকার হয়েছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন জেলা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জুলাই স্মরণে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে এনসিপি ও অন্যান্য সংগঠনের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং তাদের অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে দেয়া হয়েছে।

এ অবস্থায় অনুষ্ঠানে থাকা নিজের পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে আখতার বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের একজন এবং দলের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় আয়োজনের সফলতা কামনা করেন। তবে সহযোদ্ধাদের ওপর হামলা ও অপমানের পর সেখানে অবস্থান করা তার পক্ষে সম্ভব নয়।

রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানকে দলীয় কর্মসূচিতে পরিণত না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল সর্বস্তরের মানুষের আন্দোলন। তাই রাষ্ট্রীয় আয়োজনে সব পক্ষের অবদান যথাযথভাবে তুলে ধরা উচিত।

এ সময় অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্রেরও সমালোচনা করেন আখতার হোসেন। তার অভিযোগ, প্রামাণ্যচিত্রে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাম, কোটা সংস্কার আন্দোলনের ধারাবাহিকতা, ঐতিহাসিক নয় দফা এবং ৩ আগস্ট ঘোষিত এক দফা কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্থান পায়নি।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর আন্দোলন ছিল না। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ এবং প্রবাসীদের অংশগ্রহণেই এই আন্দোলন সফল হয়েছে। তাই ইতিহাস উপস্থাপনের ক্ষেত্রে কোনো পক্ষকে বাদ দেয়া উচিত নয়।

বক্তব্যের শেষ দিকে রাষ্ট্রপতির প্রতি সম্মান জানিয়ে আখতার হোসেন বলেন, রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থেকে তিনি যেভাবে দায়িত্ব পালন করছেন, তার প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই তিনি নীরবে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করছেন।

 91
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।