বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ

প্রকৃতিভিত্তিক উদ্যোগেই উপকূলীয় মানুষের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকৃতিভিত্তিক উদ্যোগেই উপকূলীয় মানুষের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী
প্রকৃতিভিত্তিক উদ্যোগেই উপকূলীয় মানুষের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত হবে: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী
সর্বশেষ উপলব্ধ: আগস্ট ০৩, ২০২৬ ০১:৪৬ অপরাহ্ন

প্রকৃতিভিত্তিক সমাধান উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জলবায়ু সহনশীলতা বাড়ানোর কার্যকর উপায় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে ‘প্রায়োরিটাইজিং নেচার-বেসড ইন্টারভেনশনস ফর রেজিলিয়েন্ট কোস্টাল বাংলাদেশ শীর্ষক জাতীয় কারিগরি কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। কর্মশালার আয়োজন করে ফ্রেন্ডশিপ ও কনজারভেশন ইন্টারন্যাশনাল।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন, জলাভূমি, উপকূলীয় উদ্ভিদবেষ্টনী ও কৃষি-বনায়ন ব্যবস্থা শুধু পরিবেশ সংরক্ষণেই নয়, প্রাণিসম্পদের খাদ্য সরবরাহ, প্রাণিস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং ‘ওয়ান হেলথ ধারণাকে শক্তিশালী করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা বৃদ্ধি ও উপকূলীয় ভাঙন দেশের উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকা ও অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলছে। এ পরিস্থিতিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতও বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, উপকূলীয় এলাকার লাখ লাখ পরিবার গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির ওপর নির্ভরশীল। এসব প্রাণিসম্পদ তাদের আয়, পুষ্টি, কর্মসংস্থান এবং দুর্যোগের সময়ে আর্থিক নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

তিনি আরও বলেন, টেকসই সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাস্তুতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং তথ্যভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে সরকার কাজ করছে। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ পরিবেশ পুনরুদ্ধার ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

 85
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।