২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু অর্ধেকে নামিয়ে আনতে গবেষণা ও বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি)।
জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা এ কথা জানান। দিবসটি উপলক্ষে গেল ১৯ অক্টোবর সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সড়ক দুর্ঘটনার কারণ, বাংলাদেশের দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান, সড়ক পরিবহন আইন ও নীতিমালার সীমাবদ্ধতা এবং নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে ‘সেফ সিস্টেম এপ্রোচ’ প্রয়োগের বিষয়ে আলোচনা হয়।
সিআইপিআরবির নির্বাহী উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. একেএম ফজলুর রহমানের উপস্থিতিতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রোড সেফটি প্রকল্পের প্রোগ্রাম ম্যানেজার কাজী বোরহান উদ্দিন। আলোচনায় অ্যাম্বুলেন্সচালকদের প্রাথমিক চিকিৎসার প্রশিক্ষণ, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি, দুর্ঘটনা-পরবর্তী সেবার নির্দেশিকা তৈরি এবং মালিক-শ্রমিক সংগঠনকে সম্পৃক্ত করার প্রস্তাব উঠে আসে।
এ ছাড়া দুর্ঘটনার তথ্য কম নথিভুক্ত হওয়ার সমস্যা দূর করা, সড়কে মানুষের আচরণ পরিবর্তন এবং যানবাহনে শিশুদের নিরাপদ আসন নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলো গবেষণার সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
সমাপনী বক্তব্যে সিআইপিআরবির নির্বাহী পরিচালক ড. আমিনুর রহমান বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তাদের গবেষণা ও কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এর মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু অর্ধেকে নামিয়ে আনার সরকারি লক্ষ্য অর্জনে অবদান রাখা সম্ভব হবে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।