চলতি অর্থবছরে কৃষি ও পল্লী ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ৬০ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগের অর্থবছরের তুলনায় এ লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৫৪ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে নতুন নীতিমালা ঘোষণা করা হয়।
নতুন নীতিমালায় প্রকৃত কৃষক শনাক্তে ‘কৃষক কার্ড’ ও কর্মকর্তাদের প্রত্যয়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বাধ্যতামূলক পাশ বইয়ের নিয়ম বাতিল করা হয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে দলগতভাবে এবং সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণের সুযোগ রাখা হয়েছে। নারী ও প্রান্তিক কৃষকেরাও বিকল্প জামানত দিয়ে ঋণ নিতে পারবেন।
এ ছাড়া চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদে ঋণ পাওয়া সহজ করা হয়েছে। কৃষি ঋণ বিতরণ ও তদারকিতে নতুন অনলাইন সফটওয়্যার চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।