ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কায় তুরস্কে ন্যাটো সম্মেলন শেষে গোপনে বিমান বদলের কথা নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, নিরাপত্তা বাহিনী ও সামরিক কর্মকর্তাদের পরামর্শে তাকে খাবার সরবরাহকারী একটি ট্রাকের মাধ্যমে মূল এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে সরিয়ে অন্য একটি সামরিক বিমানে নেয়া হয়েছিল।
ট্রাম্প বলেন, নিরাপত্তার কারণে তাকে অন্য বিমানে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল এবং তিনি সেই নির্দেশ মেনে নিয়েছেন। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে আশঙ্কা করা হয়েছিল ট্রাম্পকে বহনকারী বিমানে ইরান হামলা চালাতে পারে।
ঘটনাটি ঘটে ৮ জুলাই আঙ্কারা বিমানবন্দরে। ট্রাম্পকে প্রথমে এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠতে দেখা গেলেও পরে গোপনে তাকে একটি সি-৩২এ সামরিক বিমানে নেয়া হয়। সাংবাদিক ও হোয়াইট হাউসের কয়েকজন কর্মকর্তা তখনও মূল বিমানে ছিলেন এবং তাদের জানালার পর্দা নামিয়ে রাখতে বলা হয়েছিল।
ট্রাম্প পরে দাবি করেন, তার জীবনের ওপর সবসময়ই হুমকি রয়েছে এবং ইরান তাকে তাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।