বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাসএনআইডিতে জন্মতারিখ-নাম সংশোধনে নতুন নিয়ম ইসির২০২৯ সালের মধ্যে ৩ নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল করবে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রীচার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারিকর্নেল অলির পক্ষে ইসিতে মনোনয়নপত্র জমারাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুলরাষ্ট্রপতি প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিলে ইসিতে ১১ দলীয় জোটকলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫, নিখোঁজ ৫০০হরমুজে জাহাজ চলাচল তলানিতে, নিয়ন্ত্রণের দাবি ট্রাম্পেরকলম্বিয়ায় ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণাইবাদত-তাসকিনের জোড়া আঘাতে চাপে অস্ট্রেলিয়াপেসারদের আগুনে পুড়ল অস্ট্রেলিয়া, নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশজুলাই স্মৃতি জাদুঘরের নিদর্শন নষ্ট করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড

ইসরায়েলের পথে আরও ১০ মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান, বাড়ছে সামরিক তৎপরতা

ইসরায়েলের পথে আরও ১০ মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান, বাড়ছে সামরিক তৎপরতা
ইসরায়েলের পথে আরও ১০ মার্কিন রিফুয়েলিং বিমান, বাড়ছে সামরিক তৎপরতা
সর্বশেষ উপলব্ধ: আগস্ট ০২, ২০২৬ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন

ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েলের প্রধান বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের উদ্দেশে আরও ১০টি মার্কিন আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (এয়ার রিফুয়েলিং) উড়োজাহাজ রওনা হয়েছে। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদুলু এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইসরায়েলি দৈনিক ক্যালকালিস্ট জানিয়েছে, নতুন উড়োজাহাজগুলো পৌঁছালে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবস্থানরত মার্কিন রিফুয়েলিং বিমানের সংখ্যা বেড়ে ৪০-এ দাঁড়াবে। বর্তমানে সেখানে ৩০টি এমন উড়োজাহাজ রয়েছে।

ইসরায়েল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বিপুল সংখ্যক সামরিক উড়োজাহাজের উপস্থিতিতে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে চাপ তৈরি হয়েছে। এর প্রভাবে সাম্প্রতিক সময়ে বেসামরিক ফ্লাইট গড়ে প্রায় দুই ঘণ্টা বিলম্বে পরিচালিত হচ্ছে। নতুন উড়োজাহাজ পৌঁছালে এই ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই ও আগস্ট ইসরায়েলের বিমান চলাচলের সবচেয়ে ব্যস্ত সময়। এ সময় অতিরিক্ত সামরিক তৎপরতা বেসামরিক ফ্লাইট পরিচালনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

এর আগে গত ১৫ জুলাই ইসরায়েলের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানায়, ২১ জুলাইয়ের মধ্যে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে থাকা মার্কিন রিফুয়েলিং উড়োজাহাজের সংখ্যা ২০-এ নামিয়ে আনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছিল। বাকি উড়োজাহাজগুলো ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটিতে স্থানান্তরের পরিকল্পনা ছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন রিফুয়েলিং উড়োজাহাজ মোতায়েন রয়েছে।

এদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ইসরায়েলও সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে। দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার আশঙ্কায় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলো সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিচ্ছে।

গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর ‘খুব কঠোর হামলা চালাবে।

তবে দুই দিনের মাথায় তিনি অবস্থান পরিবর্তন করেন। রোববার (২ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যালে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, ইরান দ্রুত একটি চুক্তিতে সম্মত হলে দেশটির ওপর হামলার সিদ্ধান্ত থেকে তিনি সরে এসেছেন।

 69
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।