জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ভয়াবহ জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। যোগদানের দিন চারজন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীর পরিচয় যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, তারা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ব্যক্তি নন। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন, অন্য ব্যক্তি তাদের হয়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় এজাহার দায়েরের উদ্যোগ নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের ৫ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম-কম্পিউটার অপারেটর (গ্রেড-১৩) ও অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০) পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। অফিস সহায়ক পদে ২৩ হাজার ৭০৯ জন আবেদন করেন। ১৯ জুন অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন ৯ হাজার ৩১৮ জন, যাদের মধ্য থেকে ১০৭ জন মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। ২৪, ২৫ ও ২৮ জুন মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সব প্রার্থীর প্রবেশপত্রসহ ছবি সংরক্ষণ করা হয়।
পরবর্তীতে ৬ জুলাই ২০ জনকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ১৯ জুলাই সকাল ১০টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে যোগদান করতে বলা হয়।
যোগদানের সময় চারজন নির্বাচিত প্রার্থীর চেহারার সঙ্গে মৌখিক পরীক্ষার সময় ধারণ করা ছবির অমিল ধরা পড়ে। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা স্বীকার করেন যে, তারা নিজেরা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেননি; অন্য ব্যক্তি তাদের হয়ে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এ বিষয়ে তারা লিখিত স্বীকারোক্তিও দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযুক্ত চারজন হলেন টাঙ্গাইলের মো. আ. আলিম, সিরাজগঞ্জের মো. আলী হায়দার, কুড়িগ্রামের মো. রাসেল রানা লিটন এবং গাজীপুরের মো. মাসুদ ফকির।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতারণা ও পরিচয় জালিয়াতির অভিযোগে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে এজাহার দায়েরের আবেদন করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।