বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও জাতিসংঘকে আরও কার্যকর করতে অর্থবহ সংস্কারের পক্ষে বাংলাদেশ। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সংকট ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের এ সময়ে বহুপাক্ষিকতা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আরও প্রতিনিধিত্বমূলক, স্বচ্ছ ও কার্যকর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পক্ষে। সমসাময়িক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ব সংস্থাটিকে কার্যকর করতে নিরাপত্তা পরিষদের অর্থবহ সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপকে সমর্থন করে বাংলাদেশ।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের অবদান তুলে ধরে হুমায়ুন কবির বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, দুর্যোগ মোকাবিলা ও মানবিক কার্যক্রমেও জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব রয়েছে।
মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও টেকসই প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতা প্রয়োজন।
তিনি সংলাপ, বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি, রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌম সমতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে উন্নয়নশীল ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য অর্থায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।