বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
জেনেভা ক্যাম্পের শীর্ষ মাদক কারবারি চুয়া সেলিম গ্রেপ্তার৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজনতুন রাষ্ট্রপতির শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল১৪ উপজেলায় ৫২ লাখ মানুষকে কলেরার টিকা দেয়া শুরুসর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীর নাম সংসদেই জানানো হবে: সিইসিরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছেসংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আসছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অনুপস্থিত ৩ সংসদ সদস্যরাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংস্কার প্রস্তাব অনুযায়ী হচ্ছে না: নাহিদকিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ১২তুরস্ক ইস্যুতে নেতানিয়াহুকে ‘বেপরোয়া’ বললেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীইরানকে সহায়তা করলে অর্থনৈতিক পরিণতি হবে ভয়াবহ, ট্রাম্পের হুমকিকলকাতার হোটেলে আগুন, লিজ-হোল্ডারসহ গ্রেপ্তার ৩লোহিত সাগরে সৌদির ৫ তেল ট্যাংকারে হামলাইসলাম গ্রহণের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন রবার্তো কার্লোসবগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার মৃত্যুদণ্ডহাদি হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার রোধে সমঝোতা স্মারক সই

বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার রোধে সমঝোতা স্মারক সই
বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে মাদক পাচার রোধে সমঝোতা স্মারক সই
সর্বশেষ উপলব্ধ: মে ০৮, ২০২৬ ০৫:২৫ অপরাহ্ন

মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার রোধে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সরকারের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

শুক্রবার (৮ মে) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (ইন্টেরিয়র মিনিস্টার) সৈয়দ মহসিন রাজা নাকভি নিজ নিজ দেশের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় উভয় দেশ মাদক পাচার এবং মাদক সংক্রান্ত অর্থ পাচার (Money Laundering) রোধে একে অপরকে প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান এবং কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। এছাড়া মাদক অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তি, পাচারকারী সংস্থা এবং পাচারের নতুন পদ্ধতি ও রুট সম্পর্কে নিয়মিত গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে দুই দেশ।

চুক্তির উল্লেখযোগ্য দিকসমূহ:

তথ্য আদান-প্রদান: মাদক পাচারকারী ব্যক্তি, অপরাধী সংগঠন (DTOs), এবং মাদক লুকানোর নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য বিনিময় করা হবে।

যৌথ কার্যক্রম: মাদক পাচার রোধে উভয় দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো পারস্পরিক অনুরোধে গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা এবং 'কন্ট্রোলড ডেলিভারি অপারেশন'-এর মতো সমন্বিত অভিযান চালাবে।

প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধি: মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, পুন:প্রশিক্ষণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফল বিনিময়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।

 

প্রযুক্তিগত সহায়তা: লুকানো মাদক শনাক্ত করার জন্য প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম এবং স্নিফার ডগ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময় করা হবে।

ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ: নিয়মিত ও অপারেশনাল তথ্য বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং পাকিস্তানের পক্ষে এএনএফ (ANF) ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে।

গোপনীয়তা রক্ষা: আদান-প্রদানকৃত সকল তথ্য ও নথিপত্রের কঠোর গোপনীয়তা বজায় রাখা হবে এবং তৃতীয় কোনো পক্ষকে তা জানানো হবে না।

চুক্তিটি স্বাক্ষরের দিন থেকে ১০ বছরের জন্য কার্যকর থাকবে এবং পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে পরবর্তীতে এর মেয়াদ বাড়ানো যাবে। এই সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের নাগরিকদের জনস্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে উভয় পক্ষ আশা প্রকাশ করেছে।

আশিক/মি.

 407
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।