বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
জেনেভা ক্যাম্পের শীর্ষ মাদক কারবারি চুয়া সেলিম গ্রেপ্তার৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজনতুন রাষ্ট্রপতির শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল১৪ উপজেলায় ৫২ লাখ মানুষকে কলেরার টিকা দেয়া শুরুসর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীর নাম সংসদেই জানানো হবে: সিইসিরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছেসংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আসছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অনুপস্থিত ৩ সংসদ সদস্যরাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংস্কার প্রস্তাব অনুযায়ী হচ্ছে না: নাহিদকিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ১২তুরস্ক ইস্যুতে নেতানিয়াহুকে ‘বেপরোয়া’ বললেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীইরানকে সহায়তা করলে অর্থনৈতিক পরিণতি হবে ভয়াবহ, ট্রাম্পের হুমকিকলকাতার হোটেলে আগুন, লিজ-হোল্ডারসহ গ্রেপ্তার ৩লোহিত সাগরে সৌদির ৫ তেল ট্যাংকারে হামলাইসলাম গ্রহণের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন রবার্তো কার্লোসবগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার মৃত্যুদণ্ডহাদি হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর

বাংলাদেশ কি রাজনৈতিক নেতৃত্বের শূন্যতার দিকে যাচ্ছে!

বাংলাদেশ কি রাজনৈতিক নেতৃত্বের শূন্যতার দিকে যাচ্ছে!
বাংলাদেশ কি রাজনৈতিক নেতৃত্বের শূন্যতার দিকে যাচ্ছে!
সর্বশেষ উপলব্ধ: ডিসেম্বর ০৩, ২০২৫ ০২:৫৫ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ কি রাজনৈতিক নেতৃত্বের শূন্যতার দিকে যাচ্ছে! সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এই প্রশ্নটিকে আরও তীব্র করেছে। দেশ এখন এমন এক সময় পার করছে যখন তিন প্রধান রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীই বিভিন্ন কারণে সরাসরি নেতৃত্বদানে অক্ষম হয়ে পড়েছেন। এতে শুধু রাজনৈতিক মাঠই অনিশ্চিত হয়নি। রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ভবিষ্যত নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সভাপতি ও দীর্ঘ সময়ের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ায় দলীয় নেতৃত্বে কার্যক্রম এখন মূলত দূরবর্তী সমন্বয়ের ওপর নির্ভরশীল। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সংকটাপন্ন অবস্থায় চিকিৎসাধীন। কার্যত তিনি রাজনীতির বাইরে। একই সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও বিদেশেই অবস্থান করছেন। নানা জটিলতায় দেশে ফিরতে পারছেন না তিনি। এর ফলে দেশের দুটি প্রধান রাজনৈতিক শক্তির শীর্ষ নেতৃত্বই সরাসরি মাঠে নেই।

এই নেতিবাচক বাস্তবতা রাজনীতিতে এক ধরনের শূন্যতার অনুভূতি তৈরি করেছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের জন্য সুস্পষ্ট নেতৃত্ব বা ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশের অভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের দ্বিতীয় সারির নেতৃত্ব এখনও পর্যন্ত সেভাবে গ্রহণযোগ্য বিকল্প হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে পারেনি। এতে রাজনৈতিক দলগুলোর সাংগঠনিক দুর্বলতাও আরও সামনে চলে এসেছে।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ব্যক্তিনির্ভরতা নতুন নয়। কিন্তু এই ব্যক্তিনির্ভর রাজনীতিই আজ বড় সংকটে ফেলেছে। দেশের রাজনীতিকে টেকসই করতে হলে প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক নেতৃত্ব গড়ে তোলা। দলগুলোর ভেতরে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি জোরদার করা। নীতিনিষ্ঠ, যোগ্য ও পরবর্তী প্রজন্মের নেতৃত্ব তৈরির প্রতি জোর দেয়া।

রাজনৈতিক নেতৃত্বের সংকট দীর্ঘমেয়াদে দেশের শাসনব্যবস্থা অর্থনীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এখনই প্রয়োজন অন্তর্দৃষ্টি ও আত্মসমালোচনা। রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্ব হচ্ছে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার উপযোগী নেতৃত্ব প্রস্তুত করা।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ যেন শুধুমাত্র কয়েক ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে না থাকে। বরং দল ও প্রক্রিয়াভিত্তিক নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক কাঠামো গড়ে উঠুক পুরো জাতি এখন সেদিকে তাকিয়ে………।

মুহাম্মদ আশিকুল আলম

সিনিয়র সাংবাদিক।

 513
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।