বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
জেনেভা ক্যাম্পের শীর্ষ মাদক কারবারি চুয়া সেলিম গ্রেপ্তার৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজনতুন রাষ্ট্রপতির শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল১৪ উপজেলায় ৫২ লাখ মানুষকে কলেরার টিকা দেয়া শুরুসর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীর নাম সংসদেই জানানো হবে: সিইসিরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছেসংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আসছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অনুপস্থিত ৩ সংসদ সদস্যদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীররাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংস্কার প্রস্তাব অনুযায়ী হচ্ছে না: নাহিদকিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ১২তুরস্ক ইস্যুতে নেতানিয়াহুকে ‘বেপরোয়া’ বললেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীইরানকে সহায়তা করলে অর্থনৈতিক পরিণতি হবে ভয়াবহ, ট্রাম্পের হুমকিকলকাতার হোটেলে আগুন, লিজ-হোল্ডারসহ গ্রেপ্তার ৩লোহিত সাগরে সৌদির ৫ তেল ট্যাংকারে হামলাইসলাম গ্রহণের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন রবার্তো কার্লোসবগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার মৃত্যুদণ্ডহাদি হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বরআলিফ হত্যা মামলায় তৃতীয় সাক্ষীর সাক্ষ্য, চিন্ময়ের জামিন নামঞ্জুর

১৫ সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে : সেনাবাহিনী

১৫ সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে : সেনাবাহিনী
১৫ সেনা কর্মকর্তা হেফাজতে : সেনাবাহিনী
সর্বশেষ উপলব্ধ: অক্টোবর ১১, ২০২৫ ০৯:০৩ অপরাহ্ন

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চার্জশিটে নাম আসা সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৫ জনকে ঢাকায় সেনা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। গুম-খুনের অভিযোগে হেফাজতে থাকা কর্মকর্তাদের মধ্যে ১৪ জন কর্মরত এবং একজন এলপিআর- আছেন।

শনিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান।

হাকিমুজ্জামান বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যাদের নামে চার্জশিট হয়েছে, তাদের মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে সেনা হেফাজতে রয়েছেন। মোট ১৬ জনকে সেনা হেফাজতে আসার জন্য বললে, ১৫ জন সেনা হেফাজতে আসেন।

তিনি বলেন, চার্জশিটে ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার নাম এসেছে। এর মধ্যে অবসরে আছেন জন কর্মকর্তা, এলপিআরে আছেন জন কর্মকর্তা এবং কর্মরত আছেন ১৫ জন কর্মকর্তা। যারা অবসরে চলে গেছেন তাদের প্রতি আমাদের সেনা আইন খাটে না।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সব আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এর পরিপ্রেক্ষিতে গেল তারিখ কর্মরত ১৫ এলপিআরে থাকা জন সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে আসার জন্য একটা আদেশ সংযুক্তি করে পাঠিয়ে দেয়া হয়। আদেশে তাদের বলা হয়েছে, তারিখে তারা যেন ঢাকা সেনানিবাসে সেনা হেফাজতে চলে আসেন। আমরা কিন্তু এখনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পাইনি বা পুলিশও আমাদের কিছু জানায়নি। তারপরও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার কারণে স্বপ্রণোদিত হয়ে এসব কর্মকর্তাদের হেফাজতে আসার জন্য আদেশ দিয়ে দেয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই ধরনের প্র্যাকটিস করে। সংবেদনশীল কেসে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, শুরুতে তাদের আমরা হেফাজতে নিয়ে থাকি। পরে প্রয়োজনমতো কোর্ট-মার্শাল বা অন্যান্য আইনানুগ পদক্ষেপ নেয়া হয়। আমরা যাদেরকে হেফাজতে আসার জন্য বলেছি, তাদের অধিকাংশই সাড়া দিয়েছেন; তবে একজন সাড়া দেননি। ওই কর্মকর্তা তারিখ পর্যন্ত প্রতিক্রিয়া জানাননি। ১০ অক্টোবর আমরা তার সঙ্গে তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করি। জানতে পারি তিনি অক্টোবর সকালে বাসা থেকে বের হয়েছিলেন, একজন আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বের হয়েছিলেন, কিন্তু পরে বাড়ি ফেরেননি এবং পরিবারের সঙ্গে তার মোবাইলফোনেও যোগাযোগ স্থাপন করা যায়নি। তিনি মেজর জেনারেল কবির। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা নিয়ম অনুযায়ী তাকেইলিগ্যাল অ্যাবসেন্টহিসেবে ঘোষণা করি।

আশিক/মি

 

 

 305
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।

জনমত জরিপ

দ্যা মিরর নিউজ এর জনমত জরিপ পাঠকের জন্য এই মুহূর্তে নেই !