বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
জেনেভা ক্যাম্পের শীর্ষ মাদক কারবারি চুয়া সেলিম গ্রেপ্তার৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আজনতুন রাষ্ট্রপতির শপথ পড়াবেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল১৪ উপজেলায় ৫২ লাখ মানুষকে কলেরার টিকা দেয়া শুরুসর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীর নাম সংসদেই জানানো হবে: সিইসিরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছেসংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আসছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অনুপস্থিত ৩ সংসদ সদস্যদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীররাষ্ট্রপতি নির্বাচন সংস্কার প্রস্তাব অনুযায়ী হচ্ছে না: নাহিদকিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, নিহত ১২তুরস্ক ইস্যুতে নেতানিয়াহুকে ‘বেপরোয়া’ বললেন সাবেক প্রধানমন্ত্রীইরানকে সহায়তা করলে অর্থনৈতিক পরিণতি হবে ভয়াবহ, ট্রাম্পের হুমকিকলকাতার হোটেলে আগুন, লিজ-হোল্ডারসহ গ্রেপ্তার ৩লোহিত সাগরে সৌদির ৫ তেল ট্যাংকারে হামলাইসলাম গ্রহণের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন রবার্তো কার্লোসবগুড়ায় মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার মৃত্যুদণ্ডহাদি হত্যা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বরআলিফ হত্যা মামলায় তৃতীয় সাক্ষীর সাক্ষ্য, চিন্ময়ের জামিন নামঞ্জুর

বিশ্বজুড়ে বিশাল সাইবার কেলেংকারি আশঙ্কা জাতিসংঘের

বিশ্বজুড়ে বিশাল সাইবার কেলেংকারি আশঙ্কা জাতিসংঘের
বিশ্বজুড়ে বিশাল সাইবার কেলেংকারি আশঙ্কা জাতিসংঘের
সর্বশেষ উপলব্ধ: এপ্রিল ২২, ২০২৫ ০১:০৯ অপরাহ্ন

বিশ্বজুড়ে বিশেষ করে আফ্রিকা এবং ইউরোপে বিরাট সাইবার  কেলেংকারির আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ।

সোমবার (২১এপ্রিল) জাতিসংঘের একটি রিপোর্ট এমন আশংকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, এশিয়ায় একটি কয়েক বিলিয়ন ডলারের স্ক্যাম সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। রীতিমতো পরিকল্পনা করে তারা সাইবার অপরাধ সংগঠিত করছে। গোটা এশিয়াজুড়ে এই চক্র সক্রিয়। এবার তারা আফ্রিকা, ইউরোপ এবং আমেরিকাতেও জাল বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে এই চক্র এখন সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একাধিক গ্যাং এই অপরাধ সংগঠিত করছে। তারা ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে এই অপরাধের জাল ছড়াচ্ছে। অনেক সময় তারা ভালোবাসার জাল ছড়াচ্ছে। ব্যবহার করা হচ্ছে নারীদের। তাদের মাধ্যমে সর্বস্বান্ত করা হচ্ছে বহু মানুষকে।

জাতিসংঘের ড্রাগ এবং ক্রাইম সংস্থা ইউএনওডিসি- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কার্যকরী প্রতিনিধি বেনেডিক্ট হফম্যান জানিয়েছেন, প্যাসিফিক আইল্যান্ড বা প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জে ক্যানসারের মতো ছড়িয়ে পড়েছে এই ধরনের অপরাধ। প্রশাসন বিভিন্ন সময় রেড করে। অনেকে ধরা পড়ে। কিন্তু আবার অন্যত্র নতুন গ্যাং গজিয়ে ওঠে।

রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই অপরাধ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি দানা বেঁধেছে মিয়ানমারের সীমান্ত অঞ্চলগুলিতে। সেখানে গৃহযুদ্ধ চলায় প্রশাসনের পক্ষেও বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না। সেই সুযোগ নিচ্ছে অপরাধী গ্যাং-গুলি।

অন্যদিকে লাতিন অ্যামেরিকা, আফ্রিকা, ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যেও ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে এই ধরনের অপরাধমূলক কার্যকলাপ।  

হফম্যানের বক্তব্য, শুধমাত্র ২০২৩ সালে সাইবার অপরাধে মানুষ তিন হাজার ৭০০ কোটি ডলার খুইয়েছে। শুধুমাত্র অ্যামেরিকাতেই মানুষ হারিয়েছে ৫৬০ কোটি ডলার। এই চক্রের সঙ্গে লড়াই করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন তৈরি প্রয়োজন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

নিয়ে বেইজিং সম্প্রতি মিয়ানমারে একটি অভিযান চালিয়েছে। সেখানে বেশ কয়েকটি গ্যাংয়ের অফিসে রেড করা হয়। প্রায় সাত হাজার কর্মীকে সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। যারা প্রায় ৫০টি দেশের মানুষ। বিভিন্নভাবে পাচার হয়ে তারা মিয়ানমার পৌঁছায় এবং তাদের এই অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে বাধ্য করা হয়। সূত্র: ডয়চে ভেলের প্রতিবেদন।

আ/মি

 608
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।