সাভারে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে স্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ সাজানোর চেষ্টা করেছিলেন খোরশেদ আলম—এমনটাই জানিয়েছে পুলিশ। পরে স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক বিরোধের জেরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের ভাগ্নিবাড়ি এলাকায় টুটুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে খোরশেদ আলমের। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে স্ত্রীর সঙ্গে ধারণ করা একটি পুরোনো ভিডিও ভুয়া আইডি থেকে স্ত্রীর মোবাইলে পাঠিয়ে টাকা দাবি এবং ভিডিওটি ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়।
এরপর প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভিডিও ধারণ ও হুমকির অভিযোগ তুলে টুটুল ইসলাম, সোহেল রানাসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন খোরশেদ। তবে তদন্তে ভিডিওটি পুরোনো এবং স্বামী-স্ত্রী নিজেরাই ধারণ করেছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়দের সঙ্গেও কথা বলে ঘটনাটি সাজানো বলে তথ্য পাওয়ায় অভিযোগটি আমলে নেয়া হয়নি।
বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আল-আমিন বলেন, প্রায় দুই মাস আগে খোরশেদ ভিডিও ধারণ ও হুমকির অভিযোগ করেছিলেন। তদন্তে ভিডিওটি পুরোনো এবং স্বামী-স্ত্রীর ধারণ করা বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতেই ঘটনাটি সাজানো হয়েছিল বলে স্থানীয়দের কাছ থেকেও তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার পারিবারিক কলহের সময় খোরশেদের স্ত্রী মুন্নি আক্তার স্বামীর হামলার ঘটনা মোবাইলে ধারণ করেন। ওই সময় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ভিডিওটি ধারণের বিষয়টিও তিনি স্বীকার করেন। মুন্নির দাবি, তার স্বামী তাকে দিয়ে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে থানায় অভিযোগ করিয়েছিলেন।
টুটুল ইসলাম বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাদের ফাঁসাতেই ভিডিও ও হুমকির অভিযোগ তোলা হয়েছিল। স্বামী-স্ত্রীর বিরোধের পর প্রকৃত ঘটনা সামনে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।
অভিযুক্ত খোরশেদ আলমের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ঢাকা উত্তর প্রতিনিধি
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।