কিশোর অপরাধ দমনে চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১ হাজার ২৯ জনকে আটক করা হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে তিন জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে অভিযান চালানো হয়। আটক বেশিরভাগকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
কুমিল্লায় জেলার ১৮টি থানায় অভিযান চালিয়ে ৪১৫ জনকে আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদ ও আগের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ নিয়ে তিন দিনে জেলায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ২৮১ জনকে কারাগারে পাঠানো এবং ৫৯১ জনকে মুচলেকায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
চাঁদপুরে ৮টি থানা ও ডিবি পুলিশের অভিযানে ৩৭০ জন আটক হন। পরে ৩৫৫ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে। বাকিদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই চলছে।
লক্ষ্মীপুরে জেলার ৬টি থানায় অভিযান চালিয়ে ২৪৪ জনকে আটক করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের পর কুমিল্লায় কিশোর অপরাধবিরোধী অভিযান শুরু হয়। পরে তা চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুরেও সম্প্রসারিত হয়।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।