ভারতের উত্তর প্রদেশে টানা ভারী বৃষ্টি ও ঝড়ে অন্তত ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। গেল ২৫ থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল পর্যন্ত এসব প্রাণহানি ঘটে। একই সময়ে বন্যায় রাজ্যের কয়েকটি জেলার পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
ত্রাণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঝড়-বৃষ্টিতে গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে যাওয়ার পাশাপাশি রাস্তাঘাট ও গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অন্তত ১ হাজার ২১টি ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। দুর্গত এলাকায় আটকা পড়াদের উদ্ধারে কাজ করছে উদ্ধারকারী দল।
রোববার সকাল পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যটিতে স্বাভাবিকের চেয়ে রেকর্ড ৪৫ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। গেল ৬০ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে সীতাপুরে। এরপর লখিমপুর খেরি, বাহরাইচ, বলরামপুর, অযোধ্যা ও গোরখপুরে প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে কেন্দ্রীয় পানি কমিশন জানিয়েছে, ঘাগরা ও রাপ্তি নদীর পানি কয়েকটি পর্যবেক্ষণ পয়েন্টে দ্রুত বাড়ছে। এতে নিম্নাঞ্চলে বন্যার ঝুঁকি আরও বেড়েছে। তবে রোববার নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে লঘুচাপে পরিণত হওয়ায় বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।