পর্তুগালে জনসমক্ষে মুখ ঢেকে রাখার ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে। গেলো বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হওয়া আইনে মুখের দৃশ্যমানতা বাধাগ্রস্ত করে এমন পোশাক বা আবরণ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। আইন ভাঙলে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ইউরো জরিমানা হতে পারে।
চলতি বছরের ৫৮ নম্বর আইন অনুযায়ী, সড়ক, উন্মুক্ত স্থান, সরকারি সেবা কেন্দ্র এবং সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত স্থানে মুখ ঢেকে রাখা নিষিদ্ধ। অনুষ্ঠান, ক্রীড়া কার্যক্রম ও বিক্ষোভেও এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে। আইনটি ‘বোরকা আইন’ নামে পরিচিত হলেও এতে বোরকা বা নিকাবের নাম নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করা হয়নি।
তবে স্বাস্থ্যগত কারণ, পেশাগত প্রয়োজন, শিল্প ও বিনোদনমূলক কার্যক্রম, বিজ্ঞাপন, নিরাপত্তা বা আবহাওয়ার কারণে মুখ ঢাকার ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়। বিমানবন্দর, কূটনৈতিক ও কনস্যুলার স্থাপনা, উপাসনালয় ও অন্যান্য পবিত্র স্থানও আইনের আওতামুক্ত।
আইন অমান্য বা অবহেলা করলে ১৫০ থেকে ৭৫০ ইউরো এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আইন ভাঙলে ৪০০ থেকে ৩ হাজার ইউরো পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। কাউকে হুমকি, সহিংসতা, জবরদস্তি বা ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে মুখ ঢাকতে বাধ্য করলে সর্বোচ্চ দুই বছর বা ২৪০ দিন পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
এদিকে আইন কার্যকর হওয়ার দিনই এর সাংবিধানিক বৈধতা পর্যালোচনার অনুরোধ পেয়েছে পর্তুগালের ন্যায়পাল কার্যালয়। বিষয়টি পর্যালোচনাধীন রয়েছে। সংসদে গত ১৭ জুলাই আইনটি অনুমোদনের পর ১৮ আগস্ট প্রেসিডেন্ট এতে অনুমোদন দেন। ২৪ আগস্ট সরকারি গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিন পর ২৩ সেপ্টেম্বর এটি কার্যকর হয়।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।