৩১ হাজার টাকায় নিজের শিশুকন্যাকে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে গাইবান্ধার হামিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে। প্রায় দুই মাস পর অভিযান চালিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেছে গাইবান্ধা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় হামিদুলসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) গাইবান্ধা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন। আটক অন্যরা হলেন আব্দুল মজিদ সরকার, মোর্শেদা খাতুন ও জেসমিন আক্তার।
পুলিশ জানায়, রোববার গাইবান্ধা ও রংপুরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে হামিদুল, পরে আব্দুল মজিদ ও মোর্শেদা খাতুনকে আটক করা হয়। মোর্শেদার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফুলছড়ির মদনেরপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে নিখোঁজ শিশু ফাতেমা আক্তার জান্নাতকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক তথ্যমতে, শিশুটিকে ৩১ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা হয়েছিল। তবে ওই টাকা হামিদুল পুরোটা পেয়েছিলেন কি না, তা নিয়ে ভিন্ন তথ্য রয়েছে। শিশুটির মা রুমানা খাতুনের অভিযোগ, মেয়েকে ফেরত দেয়ার বিনিময়ে হামিদুল তার কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন।
গত ১৭ জুলাই জুস কিনে দেয়ার কথা বলে শিশুটিকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন হামিদুল। এরপর তিনি আর মেয়েকে নিয়ে ফেরেননি। এ ঘটনায় শিশুটিকে উদ্ধারে রুমানা আদালতে আবেদন করলে গত ২৭ আগস্ট হামিদুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়।
ডিবি পুলিশ জানায়, শিশুটিকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। কীভাবে ও কার মাধ্যমে শিশুটিকে বিক্রি করা হয়েছিল এবং ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না, তা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।