সোমবার, ০৫ অক্টোবর, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
মসজিদে নববীর বিদ্যুৎ সরবরাহ অবকাঠামোয় হামলা, বাংলাদেশের নিন্দাক্রীড়াবিদদের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ, চার মাস পরপর হবে মূল্যায়নযানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরচার বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস, কমতে পারে দিন-রাতের তাপমাত্রাআইপিইউ সম্মেলনে যোগ দিতে তাঞ্জানিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন স্পিকারস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইআইএমএম প্রধানের বৈঠক, রোহিঙ্গা সংকট ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনাদুর্গাপূজায় দোকান বন্ধের সময় রাত ১০টা করার দাবি ব্যবসায়ীদেরপ্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের বৈঠক, গুরুত্ব পেলো দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কইয়েমেনে যুদ্ধের তাণ্ডব, ৭ দিনে ৩০০ কিলোমিটার পাড়ি দুই পরিবারেরদূর প্রশান্ত মহাসাগরে ক্যাটাগরি ৩ হারিকেন নোলোসম্পর্কে ঝড় এলেও ভারত-বাংলাদেশের বন্ধন মুছে যাবে না: এম জে আকবরআজ ব্রাজিলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন, মুখোমুখি লুলা-বলসোনারোইরান পরমাণু অস্ত্র বানাবে না, দাবি ট্রাম্পেরযুক্তরাষ্ট্রে ছয় আরোহী নিয়ে মেডিকেল ফ্লাইট নিখোঁজ১৯৯৪ থেকে ২০২৬, আজও কেন এত জনপ্রিয় ঐশ্বরিয়া রাই?লক্ষ্মীপুরে চুরির অভিযোগে কিশোরকে বেঁধে মারধর, দুইজন আটকআইনজীবীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দুঃখ প্রকাশ করলেন এমপি শাহাদাত হোসেন সেলিমচোরাই মোটরসাইকেলসহ দুইজন গ্রেপ্তারজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সরকারের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করছে: সমাজকল্যাণমন্ত্রীপাবনায় থানায় অসুস্থ হয়ে এসআই আবুল কালাম আজাদের মৃত্যুপর্যটন খাতের অবদান বাড়াতে সরকারের বড় লক্ষ্য, প্রথমবার ১৬ ক্যাটাগরিতে পুরস্কারবিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলার মামলা, জামিন নামঞ্জুর আখতারুজ্জামানের

হাসিনার কারাগারে আটক থাকত শিশুরাও, দেয়া হতো না মায়ের দুধ: তুরস্ক গণমাধ্যম

হাসিনার কারাগারে আটক থাকত শিশুরাও, দেয়া হতো না মায়ের দুধ: তুরস্ক গণমাধ্যম
হাসিনার কারাগারে আটক থাকত শিশুরাও, দেয়া হতো না মায়ের দুধ: তুরস্ক গণমাধ্যম
সর্বশেষ উপলব্ধ: জানুয়ারী ২২, ২০২৫ ০২:০৩ অপরাহ্ন

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক সরকারের আমলে অন্যান্য মানুষের সঙ্গে শিশুদেরও গোপন কারাগারে আটক রাখতেন শেখ হাসিনা। সেখানে চলত নির্যাতন, এমনকি জিজ্ঞাসাবাদের সময় চাপ সৃষ্টির জন্য শিশুদের ব্যবহার করা হতো, যার মধ্যে শিশুকে মায়ের দুধ পান করতে দিতে অস্বীকার করার ঘটনাও রয়েছে।

বাংলাদেশের গোপন আটক কেন্দ্রে বন্দি শত শত লোকের মধ্যে বেশ কয়েকটি শিশুও ছিল বলে জানিয়েছে বর্তমানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে জোরপূর্বক গুমের তদন্তকারী একটি কমিশন।

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে তুরস্কের সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

ছাত্র-জনতার ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে গত বছরের আগস্টের শুরুতে শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেন। নাটকীয় এই পটপরিবর্তনের পর একে একে বের হয়ে আসছে সাবেক স্বৈরাচারী সরকারের গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভয়াবহ নানা চিত্র।

জোরপূর্বক গুমের তদন্তকারী এই কমিশন মঙ্গলবার তার প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলেছে, অন্তত অর্ধডজন শিশু তাদের মায়েদের সাথে মাসের পর মাস জেলের ভেতরে কাটিয়েছে। আটক রাখার সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিশুদের লিভারেজ হিসাবে অর্থাৎ মানসিক চাপ সৃষ্টির মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল, যার মধ্যে তাদের দুধ পান করতে দিতে অস্বীকার করার ঘটনাও রয়েছে।

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ভারতে পা‌লিয়ে যান শেখ হা‌সিনা। তি‌নি বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে জুলাই ও আগস্টে সংঘটিত গণহত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইতোমধ্যেই হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের শত শত নেতা-কর্মীকে বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং আরও শত শত মানুষকে বেআইনিভাবে অপহরণ ও গুমসহ ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

কমিশন বলেছে, নারীদের তাদের সন্তানসহ নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার বেশ কয়েকটি ঘটনার বিশদ বিবরণ তাদের কাছে রয়েছে। যার মধ্যে সর্বশেষ এই ধরনের ঘটনা ঘটে ২০২৩ সালে। এছাড়া কমিশন এই বিষয়ে এক গর্ভবতী নারীর ঘটনাও উল্লেখ করেছে। গর্ভবতী ওই নারীকে তার দুটি ছোট বাচ্চাসহ আটকে রাখা হয়েছিল এবং সেই আটক কেন্দ্রে তাকে মারধরও করা হয়েছিল।

কমিশন বলেছে, একজন প্রত্যক্ষদর্শী তদন্তকারীদের এমন একটি বন্দিস্থানের কক্ষ দেখিয়েছেন যেখানে তাকে শিশুকালে তার মায়ের সাথে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। আর এই আটক কেন্দ্রটি পরিচালনা করত আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

কমিশনের প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, তার মা আর কখনোই ফিরে আসেননি।

অন্য একটি ঘটনায়, এক দম্পতি এবং তাদের শিশুকে আটক করা হয়েছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদের সময় বাবাকে চাপ দেওয়ার জন্য “মানসিক নির্যাতনের অংশ হিসাবে শিশুটিকে মায়ের দুধ খাওয়ানো থেকে দূরে রাখা হয়েছিল।

অবশ্য ক্ষমতায় থাকাকালীন হাসিনার সরকার জোরপূর্বক গুমের এসব ঘটনা অস্বীকার করত। সাবেক এই সরকার দাবি করেছিল, নিখোঁজদের মধ্যে কয়েকজন ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করার সময় ভূমধ্যসাগরে ডুবে মারা গেছেন।

কমিশন বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে অপহৃত প্রায় ২০০ বাংলাদেশি এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

আ/মি

 

মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।