মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী পাঠাতে ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশের ঘটনায় উদ্বেগ জানিয়েছে ট্রেড ইউনিয়ন–সিভিল সোসাইটি অ্যাকশন অ্যালায়েন্স বা TUCSAA। সংগঠনটির আশঙ্কা। সীমিতসংখ্যক এজেন্সির মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালিত হলে অতীতের মতো আবারও সিন্ডিকেট ব্যবস্থা তৈরি হতে পারে।
TUCSAA-এর প্রধান সমন্বয়কারী সাকিল আক্তার চৌধুরী বলেন। এসব এজেন্সির মাধ্যমে কীভাবে কর্মী নিয়োগ হবে। চাকরির চাহিদাপত্র কীভাবে বণ্টন হবে এবং অন্য বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো কীভাবে অংশ নেবে—তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সংগঠনটি বলছে। অতীতে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে উচ্চ অভিবাসন ব্যয়। নিয়োগে অনিয়ম। মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের কারণে কর্মীরা ক্ষতির শিকার হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে ২৫টি এজেন্সির তালিকা প্রকাশ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
TUCSAA জানিয়েছে। BOESL-এর মাধ্যমে কীভাবে সব বৈধ ও যোগ্য এজেন্সি কর্মী পাঠানোর সুযোগ পাবে। ২৫টি এজেন্সির ভূমিকা কী হবে এবং নিয়োগে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ঠেকাতে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে—এসব বিষয়ে সরকারকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে হবে।
একই সঙ্গে কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণ ও প্রকাশ। চাকরির চুক্তি ও মজুরি যাচাই। ডিজিটাল ট্র্যাকিং এবং অভিযোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
তাদের মতে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার চালুর সাফল্য শুধু কতজন কর্মী পাঠানো হলো তা দিয়ে নয়। বরং কম খরচে। নিরাপদ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় কতজন কর্মী বিদেশ যেতে পারলেন—সেটিই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচনা।
ফজলে রাব্বী পলাশ/বিশেষ প্রতিনিধি দ্যা মিরর নিউজ
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।