শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পৈতৃক ও ক্রয়কৃত রেকর্ডভুক্ত ২ একর ৪৫ শতাংশ জমি দখল ও আত্মসাতের চেষ্টার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি ভুক্তভোগী পরিবার। বুধবার (৭ অক্টোবর) বনগাঁও জিগাতলা গ্রামে পরিবারের পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মমতা খাতুন দাবি করেন, বনগাঁও মৌজার খতিয়ান নম্বর ১০৭-এর বিভিন্ন দাগে তাদের মোট ১২ একর ২৮ শতাংশ জমি রয়েছে। এর মধ্যে ২ একর ৪৫ শতাংশ জমি ওয়ারিশ ও সাফ-কবলা দলিলের মাধ্যমে পরিবারের সদস্যরা পেয়েছেন এবং আরএস রেকর্ড অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন।
তাদের অভিযোগ, পূর্ববিরোধের জেরে কয়েকজন প্রতিবেশী দীর্ঘদিন ধরে তাদের হয়রানি করছেন। ১৯৮৯ সালে শুরু হওয়া জমি নিয়ে বিরোধটি একাধিকবার আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। ২০০০ সালে আদালতের রায় ও ডিক্রি এবং পরবর্তী আপিলে তা বহাল থাকার পর ২০০৬ সালে ফের আপিল করা হয়। বর্তমানে বিষয়টি উচ্চ আদালতে বিচারাধীন বলে দাবি করেন তারা।
সম্প্রতি প্রতিপক্ষের লোকজন অস্ত্র নিয়ে বাড়িতে ঢুকে হুমকি, রাস্তায় চলাচলে বাধা, গবাদিপশুর ক্ষতি ও পুকুরের মাছ নিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে একাধিকবার সালিশ হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি বলে জানান তারা।
তবে অভিযুক্তরা অভিযোগ পুরোপুরি সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন। তাদের ভাষ্য, বিতর্কিত জমিতে ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয়ায় তারা শুধু বাধা দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী পরিবার জমির মালিকানা ও দখল সুরক্ষা, পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা এবং অভিযোগ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে। এলাকাবাসীও দীর্ঘদিনের এ বিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।
শেরপুর প্রতিনিধি
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।