সিটি করপোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে স্থানীয় সরকার আইন ও বিধি সংশোধনের প্রস্তাব করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে প্রার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা রাখার প্রস্তাব করা হয়নি।
সম্প্রতি প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এতে হলফনামায় অসত্য তথ্য বা তথ্য গোপন করলে প্রার্থিতা বাতিল, দ্বৈত নাগরিক ও ঋণখেলাপিদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা এবং ভোটকেন্দ্রে অনিয়মের প্রমাণ পেলে নির্বাচন বন্ধের ক্ষমতা ইসির হাতে রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
চলতি সেপ্টেম্বরেই কিছু ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। ধাপে ধাপে এসব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এ ছাড়া নির্বাচনি অপরাধের সাজা বাড়ানো এবং পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান যুক্তের প্রস্তাব করেছে কমিশন। সংশোধনী সংসদে পাস না হলে বিদ্যমান আইনেই নির্বাচন হবে।
যুবায়ের/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।