বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাসএনআইডিতে জন্মতারিখ-নাম সংশোধনে নতুন নিয়ম ইসির২০২৯ সালের মধ্যে ৩ নতুন ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল করবে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রীচার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারিকর্নেল অলির পক্ষে ইসিতে মনোনয়নপত্র জমারাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুলরাষ্ট্রপতি প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিলে ইসিতে ১১ দলীয় জোটকলম্বিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫, নিখোঁজ ৫০০হরমুজে জাহাজ চলাচল তলানিতে, নিয়ন্ত্রণের দাবি ট্রাম্পেরকলম্বিয়ায় ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণাইবাদত-তাসকিনের জোড়া আঘাতে চাপে অস্ট্রেলিয়াপেসারদের আগুনে পুড়ল অস্ট্রেলিয়া, নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশজুলাই স্মৃতি জাদুঘরের নিদর্শন নষ্ট করলে ১০ বছরের কারাদণ্ড

বাউফলে গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে জামায়াত নেতাকে মারধর

বাউফলে গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে জামায়াত নেতাকে মারধর
বাউফলে গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে জামায়াত নেতাকে মারধর
সর্বশেষ উপলব্ধ: জুলাই ৩০, ২০২৬ ০৪:৫৭ অপরাহ্ন

পটুয়াখালীর বাউফলে এক গৃহবধূর সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে মারধরের শিকার হয়েছেন দাসপাড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ফারুক হোসেন প্যাদা।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ তুলে স্থানীয় কয়েকজন ফারুক হোসেন প্যাদাকে আটক করে মারধর করেন। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাকে উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে ফারুক হোসেন প্যাদা বলেছেন, ‘স্থানীয় সাইদুল, পারভেজসহ মৃধা বাড়ির ৪-৫ জন আমাকে মারধর করেছে। তারা আমার কাছে থাকা ৫০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে গেছে। অতীতে তাদের সঙ্গে আমার একটি বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জের ধরে আমার বিরুদ্ধে গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে, এক নারীর সঙ্গে আমার সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকার মানুষ আমাকে বাড়াবাড়ি না করতে বলেছিল। পরে আমি সরে গেছি। আমাকে কোথাও হাতেনাতে ধরতে পারেনি। এরপরও তারা আমার বিরুদ্ধে গৃহবধূর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের অভিযোগ তুলে মারধর করেছে।

অন্যদিকে ওই গৃহবধূর শাশুড়ি জাহানারা বেগম দাবি করেছেন, ফারুক অনেক দিন ধরে আমার পুত্রবধূকে বিরক্ত করত। বিভিন্নভাবে টাকা-পয়সার প্রলোভন দেখাত এবং আমাদের পরিবারের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। আশপাশের লোকজন আগে থেকেই বিষয়টি জানিয়েছিল, কিন্তু আমরা বিশ্বাস করিনি। পরে ফারুকের ছেলে আমার ছেলেকে কিছু ছবি দেখায়, এরপর আমরা বিষয়টি বিশ্বাস করি। এ নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশও হয়েছিল। এরপরও সে আমার পুত্রবধূকে কুপ্রস্তাব দেয়।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মারামারির ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 80
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।