শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ
চারজনের মৃত্যু শ্বাসরোধে, মেলেনি ধর্ষণের আলামত দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস, কমতে পারে তাপমাত্রাপুলিশে ১৪ হাজার ৪০০ পদে নিয়োগের উদ্যোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীমক্কা প্যাক্টে যোগদানের প্রস্তাব পেলে ইতিবাচকভাবে দেখবে ঢাকাহলি ক্রস কলেজে বিবাহিতদের ভর্তি নিষেধ, বিয়ে করলে টিসিকার্যপ্রণালী বিধি লঙ্ঘন, হট্টগোলে উত্তপ্ত সংসদস্থানীয় নির্বাচনের তফসিল সেপ্টেম্বরে, প্রথম ধাপের ভোট ডিসেম্বরে করতে চায় ইসিসারাদেশে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে ৩০ মন্ত্রী-হুইপজুলাই সনদ বাস্তবায়নে সব দলের সহযোগিতা চান চিফ হুইপস্ত্রীসহ বিদেশ পালানোর চেষ্টা, শেখ পরশের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাসংসদ অধিবেশনের আগে বিরোধী দলের সভাদুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাসইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর ছাত্রদল নেতা আজীবন বহিষ্কারহিমবাহ ধসেই নেপালে ভয়াবহ বন্যা, ১৬০ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৮৪৪ জনচোখের সামনে স্ত্রী-সন্তানকে ভাসিয়ে নিল বন্যানেপাল-চীন সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজ প্রায় ১,৫০০নেপালে বন্যায় উদ্ধারকাজে ২ হাজার সেনা মোতায়েননেপালে এখনও নিখোঁজ ছয় শতাধিক পর্যটকনেপাল-চীন সীমান্তে আকস্মিক বন্যা: কীভাবে ঘটল এই ভয়াবহ দুর্যোগনেপালে বন্যা-ভূমিধসে ২৮৮ ভারতীয় নিখোঁজ, উদ্ধার ২১নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসে নিহত বেড়ে ৩৩২, নিখোঁজ ১৫০০নেপালে আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসে নিহত বেড়ে ২৭০সৌদি আরবে ভারী বৃষ্টি-বন্যার শঙ্কা, রেড অ্যালার্টসালমান শাহ হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ডে ডননেপালে কেমন আছেন অপু বিশ্বাস, জানালেন নিজেইবগুড়ায় বাসচাপায় ৭ জন নিহত, চালক গ্রেপ্তারসালাহউদ্দিনের গুম মামলায় ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসান

হিমবাহ ধসেই নেপালে ভয়াবহ বন্যা, ১৬০ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৮৪৪ জন

হিমবাহ ধসেই নেপালে ভয়াবহ বন্যা, ১৬০ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৮৪৪ জন
হিমবাহ ধসেই নেপালে ভয়াবহ বন্যা, ১৬০ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ ৮৪৪ জন
সর্বশেষ উপলব্ধ: আগস্ট ২৭, ২০২৬ ১১:০০ পূর্বাহ্ন

নেপালের ভয়াবহ বন্যায় এখন পর্যন্ত ১৬০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। জারি রয়েছে জরুরি অবস্থা। নিখোঁজদের উদ্ধারে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে সরিয়ে নিতে চলছে অভিযান।


সাড়ে চারশ'র বেশি বিদেশি নাগরিকসহ এখনও নিখোঁজ কমপক্ষে ৮৪৪ জন। এদের মধ্যে ১৩৩ ভারতীয় ছাড়াও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নেদারল্যান্ডস, মালয়েশিয়াসহ কমপক্ষে ২৮ দেশের নাগরিকরা।
নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার আগে যে কম্পন অনুভূত হয়েছিল, সেটি ভূমিকম্প নয়। বরং হিমবাহ ধস ও ভূমিধস থেকেই ওই কম্পনের সৃষ্টি হয়েছিল বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা -ইউএসজিএস।


বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে ভূমিকম্প হিসেবে যে কম্পন শনাক্ত করা হয়েছিল, পরে সেটিকে হিমবাহ ধস ও পাথর-মাটির স্রোত (ডেব্রিস ফ্লো) হিসেবে চিহ্নিত করে সংস্থাটি।  এর ফলে ভাটির দিকে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে।


প্রাথমিকভাবে কাঠমান্ডুর উত্তরে নেপাল-চীন সীমান্তের কাছে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প হিসেবে কম্পনটি শনাক্ত হয়েছিল। তবে পরে ইউএসজিএস স্পষ্ট করে জানায়, সেখানে কোনো ভূমিকম্পই হয়নি।

স্যাটেলাইটের ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, নেপাল-চীন রাসুওয়াগাড়ি সীমান্ত চৌকি থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে লহেন্দে নদীতে বরফ ও পাথরের বিশাল ভূমিধস হয়। এতে নদীতে বিপুল পরিমাণ পাথর, কাদা ও পানি নেমে গিয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। এই শক্তিশালী ভূমিধসের তীব্রতা পরে ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পের সমতুল্য হিসেবে রেকর্ড হয়।

আশিক/মি.

মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।