সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাত বাংলাদেশি শ্রমিকের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল ৯টার পর বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট বিজি ৩৩৬ মরদেহগুলো নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে মরদেহগুলো নিজ নিজ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে পাঠানো হয়।
ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে নিহতদের পরিচয় শনাক্তের পর মরদেহ দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় সৌদি সরকার। মরদেহ আসার খবরে সকাল থেকেই নিহতদের বাড়িতে ভিড় করেন আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা। প্রিয়জনকে শেষবারের মতো দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন তারা।
নিহতদের মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার চারজন—হাসিবুল হাসান শুভ, মিনহাজ প্রামাণিক, মাসিদুল সরদার সজিব ও সাগর আলী। এ ছাড়া নওগাঁ সদর উপজেলার শাহীন এবং নাটোরের নলডাঙ্গার সাব্বির হোসেন ও মোহাম্মদ শামিম রয়েছেন।
নিহত শাহীন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন। ঋণ করে সৌদি আরবে যাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারান তিনি। তার মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে। অন্য নিহতদের পরিবারগুলোর আর্থিক অবস্থাও প্রায় একই রকম বলে জানা গেছে।
গেল ৯ আগস্ট রিয়াদের ওই সোফা তৈরির কারখানায় আগুনে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হন। এর মধ্যে গত ২৭ আগস্ট প্রথম দফায় ৯ জনের মরদেহ দেশে পাঠানো হয়। বাকি সাতজনের পরিচয় ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়ার পর এবার তাদের মরদেহ দেশে আনা হলো।
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।