মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬ English
English
সর্বশেষ

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ সিআর মামলার পরোয়ানায় আবার গ্রেপ্তার

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ সিআর মামলার পরোয়ানায় আবার গ্রেপ্তার
রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ সিআর মামলার পরোয়ানায় আবার গ্রেপ্তার
সর্বশেষ উপলব্ধ: জুলাই ২০, ২০২৬ ০২:১০ অপরাহ্ন

করোনা পরীক্ষার ভুয়া সনদ জালিয়াতির ঘটনায় আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদকে আবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুরের ইসিবি এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির জানান, সাহেদের বিরুদ্ধে একটি সিআর মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। পল্লবী থানার অনুরোধে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ তাকে আটক করে। পরে তাকে পল্লবী থানায় নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। ওসি বলেন, সাহেদকে থানায় আনার পর মামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের প্রায় এক মাস পর, বিভিন্ন মামলায় পর্যায়ক্রমে জামিন পাওয়ার পর প্রায় চার বছর কারাভোগ শেষে মুক্তি পেয়েছিলেন সাহেদ। তার বিরুদ্ধে প্রতারণা, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, মানি লন্ডারিংসহ মোট ৩৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় সাহেদ প্রথম জাতীয়ভাবে আলোচনায় আসেন। ওই বছরের ৭ জুলাই র‍্যাব উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট জব্দ করে। এ ঘটনায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় করোনার সনদ জালিয়াতির মামলা দায়ের করা হয়।

মামলার নয় দিন পর, ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্ত এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাকে নিয়ে পরিচালিত অভিযানে অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা হয়।

২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর অস্ত্র আইনের এক মামলায় সাহেদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া ২০২৩ সালের ২১ আগস্ট জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এর আগে ২০১০ সালে চেক জালিয়াতির একটি মামলায়ও তার ছয় মাসের সাজা হয়েছিল।

সাহেদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ৩৫ মামলার মধ্যে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের একটি মামলাও রয়েছে। ওই মামলায় সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিভিন্ন প্রতারণার মাধ্যমে তিনি ১১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেছিলেন।

 26
মতামত দিন

শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।