প্রবাসী পল্লী হাউজিং। একটি আবাসন প্রকল্প। হাজারো মানুষের বিনিয়োগ আর স্বপ্ন। কিন্তু এখন সেই প্রকল্প ঘিরে উঠছে একের পর এক অনিয়ম ও প্রতারণার অভিযোগ।
প্রবাসী পল্লী লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহিদুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে প্রতিশ্রুত সুবিধা না দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। মহিদুর রহমান আওয়ামী লীগ সরকারের সময়কার সিলেট-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমানের ভাই।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে প্রবাসী পল্লী গ্রুপকে ঘিরে নানা অভিযোগ। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে— বহু গ্রাহক টাকা বিনিয়োগ করেও বুঝে পাননি প্রতিশ্রুত প্লট কিংবা অন্যান্য সুবিধা। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন বছরের পর বছর ঘুরেও পাননি কাঙ্ক্ষিত সমাধান।
বিদেশে শ্রম দিয়ে উপার্জিত অর্থ। জীবনের সঞ্চয়। একটি ছোট্ট স্বপ্ন— নিজের একটি ঠিকানা। সেই স্বপ্ন নিয়েই অনেক প্রবাসী বিনিয়োগ করেছিলেন আবাসন প্রকল্পটিতে। কিন্তু এখন অনেকের অভিযোগ— স্বপ্নের জায়গায় তারা পেয়েছেন অনিশ্চয়তা আর হতাশা।

প্রশ্ন উঠছে— কেন প্রবাসী পল্লী হাউজিংয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ? প্রকল্প বাস্তবায়নে কী কোনো জটিলতা রয়েছে? গ্রাহকদের অর্থ কোথায় গেছে? আর সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলো এতদিন কী ভূমিকা পালন করেছে?
বাংলাদেশে আবাসন খাতে অনিয়ম এবং গ্রাহক ভোগান্তির অভিযোগ নতুন নয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন— এই ধরনের ঘটনায় শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় মানুষের আস্থা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।
একটি স্বপ্ন। একটি বিনিয়োগ। আর অসংখ্য প্রশ্ন।
প্রবাসী পল্লী গ্রুপ নিয়ে ওঠা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা— সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তবে একটি বিষয় স্পষ্ট— ক্ষতিগ্রস্তরা এখন প্রশাসনের কাছে জবাব চায়। বিচার চায়। আর আবাসন খাতে অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ দেখতে চায়।
আশিক/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।