যখনই প্রয়োজন হবে যুদ্ধ এবং যেখানেই প্রয়োজন সেখানে আলোচনা করতেও প্রস্তুত ইরান। দেশের কূটনীতিক ও কর্মকর্তাদের ওপর অর্পিত এটি একটি মূল দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। সংবাদ মাধ্যম মেহের এর প্রতিবেদন।
বুধবার (২০ মে) তেহরানে দুই সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল খারাজি এবং হোসেইন আমির-আব্দুল্লাহিয়ানের স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আরাঘচি।

আরাঘচি বলেন, সামগ্রিক ব্যবস্থা এবং এর উদ্দেশ্যগুলোর সাথে পূর্ণ সমন্বয় রেখে কাজ করি। যদি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের স্বার্থে কূটনীতি, সংলাপ এবং আলোচনার ক্ষেত্রে আমাদের উপস্থিত থাকার প্রয়োজন হয়, তবে আমরা শক্তি নিয়েই হাজির হব; ঠিক সেই শক্তি নিয়ে, যা নিয়ে সশস্ত্র বাহিনী দেশ রক্ষায় আবির্ভূত হয়।
আরাঘচি বলেন, আমেরিকান কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে ইরানিরা কূটনৈতিক যুদ্ধেও জয়ী হয়েছে। তারা মেনেও নিয়েছেন যে বিদেশে অবস্থিত আমাদের দূতাবাসগুলো গণমাধ্যম ও কূটনৈতিক যুদ্ধে জয়লাভ করেছে।
আশিক/মি.
শর্ত সমূহ:
অশালিন শব্দ/বাক্য ব্যবহার করা যাবে না। কাউকে কটাক্ষ করা যাবে না। কারো প্রতি আক্রমনাত্বক বক্তব্য পেশ করা যাবে না।